মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা ও কল্যাণসহ দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে তুলে ধরেছেন ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা।
এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন রাষ্ট্রপতি। দুই দিনের ঠাকুরগাঁও সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাষ্ট্রপতির নিজ বাসভবনে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নেতাদের সঙ্গে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের ভবন সম্প্রসারণ, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় নির্যাতিত স্থানীয় সাংবাদিকদের সহায়তায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ এবং সাংবাদিকদের জন্য ওয়েজবোর্ড গঠনের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। সাংবাদিক নেতারা বলেন, সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মফস্বলের সাংবাদিকেরা দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সাংবাদিককে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। ফলে সাংবাদিকদের কল্যাণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি তাদের পেশাগত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সমস্যা ও দাবিগুলো পূরণের বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য ও পেশাগত সহযোগিতা থাকলে গণমাধ্যম আরও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারবে।
মতবিনিময় সভায় রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান তানুসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা এবং ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন রাষ্ট্রপতি। দুই দিনের ঠাকুরগাঁও সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাষ্ট্রপতির নিজ বাসভবনে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নেতাদের সঙ্গে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের ভবন সম্প্রসারণ, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় নির্যাতিত স্থানীয় সাংবাদিকদের সহায়তায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ এবং সাংবাদিকদের জন্য ওয়েজবোর্ড গঠনের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। সাংবাদিক নেতারা বলেন, সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মফস্বলের সাংবাদিকেরা দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সাংবাদিককে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। ফলে সাংবাদিকদের কল্যাণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি তাদের পেশাগত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সমস্যা ও দাবিগুলো পূরণের বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য ও পেশাগত সহযোগিতা থাকলে গণমাধ্যম আরও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারবে।
মতবিনিময় সভায় রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান তানুসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা এবং ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি